⚔️ অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৩:
🛰️ “ইসরাইলের ১৫০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে” — আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদি
🗓️ তারিখ: ১৪ জুন ২০২৫ | 🕰️ সময়: সকাল
📡 সূত্র: পার্সটুডে | উপস্থাপন: বিশ্লেষণ ডেস্ক
—
🎯 ইরানের পাল্টা জবাব: ১৫০ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা!
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC) অপারেশন “ট্রু প্রমিজ-৩” নামে এক বিশাল পাল্টা অভিযান চালিয়েছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ ওয়াহিদি জানিয়েছেন:
> “আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র কমপক্ষে ১৫০টি ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে ছিল কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি, যুদ্ধ কমান্ড কেন্দ্র ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সাইট।”
—
🛫 বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু ছিল:
নেভাতিম বিমানঘাঁটি (উত্তর-মধ্য অঞ্চল)
ওভদা বিমানঘাঁটি (দক্ষিণ অঞ্চল)
তেল নফ ঘাঁটি (তেলআবিবের নিকটে)
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সামরিক-শিল্প কেন্দ্র
জেনারেল ওয়াহিদি বলেন,
> “এই ঘাঁটিগুলো থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানো হয়েছিল। সুতরাং প্রতিশোধ ছিল সুনির্দিষ্ট, সংগঠিত এবং সফল।”
—
🔍 বিশ্লেষণ: এটি একটি ‘কৌশলগত বার্তা’
বিশ্লেষণীয় দিক অর্থ
🎯 লক্ষ্যবস্তু শুধুমাত্র সামরিক, বেসামরিক নয়
🛑 বার্তা ইসরাইলের ভিতরে গভীরে হামলা করা সম্ভব
🧠 কৌশল ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ঘাঁটিগুলোর ধ্বংস মানে সিগন্যাল ও যোগাযোগ দুর্বলকরণ
🔥 ফলাফল ইসরাইলি নিরাপত্তার মূল ভিত্তিতে আঘাত
—
🧠 বিশ্লেষণ: ‘সীমিত যুদ্ধ’ নাকি যুদ্ধের পূর্ণদশা?
এই অপারেশন স্পষ্ট করেছে যে:
ইরান এখন শুধু প্রতিরক্ষা নয়, আক্রমণাত্মক কৌশলে যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা মানচিত্র বদলে যাচ্ছে।
একাধিক জোট বা সংঘর্ষে জড়াতে পারে বাইরের শক্তিগুলো।
—
Leave a Reply