📰 তেলআবিবে ধ্বংসযজ্ঞ: ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে আহত ২০০+, নিখোঁজ বহু
📍 রোববার, ১৫ জুন ২০২৫ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক
—
🇮🇷 ইরানের ব্যালিস্টিক হামলায় মধ্য ইসরাইলে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের তেলআবিব ও আশপাশের এলাকায় রোববার (১৫ জুন) ভোরে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি হয়েছে। হামলায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২০০ জন আহত হয়েছেন এবং বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলের জরুরি সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড আদোম।
—
🏥 হাসপাতালভিত্তিক আহতের হিসাব
বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে:
হাসপাতাল ভর্তি সংখ্যা গুরুতর মাঝারি হালকা মানসিক আঘাত
🏨 উলফসন মেডিকেল সেন্টার, হোলোন ৬৫ ৫ ৭ ৫৩ ❌
🏥 শামির মেডিকেল সেন্টার, বিয়ার ইয়াকভ ২৮ ১ ১ ২০ ৬
🏨 শেবা মেডিকেল সেন্টার, তেল হাশোমের ৩৭ ❌ কিছু অধিকাংশ ❌
🏨 আসুতা মেডিকেল সেন্টার, আশদোদ ৫ ১ ৪ ❌ ❌
—
🏚️ বাট ইয়ামে ভবন ধস, নিখোঁজ ৩৫+
হামলায় সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা দেখা গেছে তেলআবিবের দক্ষিণের শহর বাট ইয়ামে।
একটি আবাসিক ভবনে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে তা আংশিক ধসে পড়ে।
এখনো প্রায় ৩৫ জন লোক নিখোঁজ, যারা ওই ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা।
উদ্ধারকর্মীরা ধসে পড়া ভবন ঘিরে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
—
🔥 তেহরানে অস্থিরতা: আগুন, যানজট
একই সময়ে ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তর-পশ্চিমের শহরান এলাকায় তেল ডিপোতে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
এতে সেখানে বড় ধরনের যানজট এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
—
🌍 পরিস্থিতির রাজনৈতিক মাত্রা
সিএনএন ও টাইমস অব ইসরাইলের তথ্য অনুযায়ী,
এই হামলা এবং পাল্টা হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংঘাত “কয়েক সপ্তাহ” পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই অভিযানে “নীরব সম্মতি” রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
তিনি বলেন—
> “ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বাস করে, এ সংকটের সমাধান হতে পারে আলোচনার মাধ্যমে। তবে যুদ্ধ কতটা দীর্ঘ হবে, তা নির্ভর করছে ইরানের পরবর্তী অবস্থানের ওপর।”
—
🧭 সারসংক্ষেপ
বিষয় তথ্য
📅 তারিখ ১৫ জুন ২০২৫
📍 এলাকা তেলআবিব, বাট ইয়াম, আশদোদ, হোলোন, বিয়ার ইয়াকভ
⚠️ হতাহত ২০০+ আহত, ৬+ নিহত (পূর্বের তথ্যে), ৩৫ নিখোঁজ
🏚️ ক্ষতি আবাসিক ভবন ধ্বংস, অবকাঠামো ধ্বংস, আতঙ্ক
🕊️ আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীরব অনুমোদন, উত্তেজনা বৃদ্ধি
—
Leave a Reply