চট্টগ্রাম ও সিলেটে স্বল্পমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা, সতর্কতা জারি
📅 প্রকাশকাল: ৩১ মে ২০২৫
✍️ নিজস্ব প্রতিবেদক | ত্রিশাল হেল্প সেন্টার
বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে ভারি বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বল্পমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, অন্তত ১০টি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে, যার ফলে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
🔻 সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নদ-নদী:
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা এবং ফেনী ও বান্দরবানের কিছু নদী মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।
অন্যদিকে, সিলেট বিভাগে যাদুকাটা, সারিগোয়াইন, খোয়াই, মনু এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করতে পারে।
⛈️ টানা ভারি বৃষ্টি:
আবহাওয়াবিদ শাহীনুর রহমান জানান, গত দুই দিনে (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) শুধু ঢাকা বিভাগেই ১৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা দেখা দিয়েছে নোয়াখালী, কুমিল্লা, বান্দরবান ও চাঁদপুরে। সেখানকার জনজীবন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
🌀 স্থল নিম্নচাপ দুর্বল হলেও প্রভাব অব্যাহত:
দেশের ওপর বিরাজমান স্থল নিম্নচাপটি এখন অনেকটা দুর্বল হয়ে গেছে। তবে এর প্রভাবে এখনো দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। শুক্রবারও রাজধানী ঢাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে।
🏞️ পাহাড় ধসের ঝুঁকি:
আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, ভারি বৃষ্টি কমে গেলেও পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কা বাড়ে। তাই কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
🗓️ স্বস্তির খবর:
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১ জুন থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসবে। ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🔊 কর্তৃপক্ষের আহ্বান:
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী উদয় রায়হান বলেন, “বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হবে না, তবে স্থানীয় মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় নদীর পানি বাড়ছে, সেখানকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হচ্ছে।”
—
📢 ত্রিশাল হেল্প সেন্টারের পক্ষ থেকে পরামর্শ
✅ শিশু ও বৃদ্ধদের নিরাপদ স্থানে রাখুন
✅ বিদ্যুৎ চালু অবস্থায় জলে চলাচল এড়িয়ে চলুন
✅ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন
✅ স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করুন
—
📌 আপনার এলাকার অবস্থা কেমন?
আপনি যদি সিলেট, চট্টগ্রাম, বা পার্বত্য এলাকায় থাকেন—তাহলে আমাদের জানান আপনার অভিজ্ঞতা বা ছবি পাঠিয়ে দিন। আমরা প্রকাশ করব “ত্রিশাল হেল্প সেন্টার”-এ।
Leave a Reply