ইরানের তেলের প্রাণকেন্দ্র খার্গ দ্বীপ
ত্রিশাল হেল্প সেন্টার আন্তর্জাতিক তথ্য
পারস্য উপসাগরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ একসময় নির্বাসনস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে ধীরে ধীরে দ্বীপটির গুরুত্ব বাড়তে থাকে এবং ১৯৫৮ সালের পর এখানে আধুনিক তেল শিল্পের যুগ শুরু হয়।
১৯৬০ সালের আগস্ট মাসে এই দ্বীপ থেকে প্রথম বড় তেলের চালান বিশ্বের বাজারে পাঠানো হয়। এরপর থেকেই খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
তবে ১৯৮০–এর দশকে সংঘটিত ইরান–ইরাক যুদ্ধ চলাকালে দ্বীপটিতে ভয়াবহ বোমা হামলা হয় এবং তেল স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হয়। যুদ্ধের পর ইরান সরকার আবারও দ্বীপটির তেল অবকাঠামো পুনর্গঠন করে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে দ্বীপটিতে কঠোর সামরিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে এখানে পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। ফলে দ্বীপটির প্রাকৃতিক পরিবেশ অনেকটাই অক্ষত রয়েছে।
আজও বিশাল সুপারট্যাংকারগুলো এখান থেকে নীরবে তেল নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি দেয়। এভাবেই ‘এতিম মুক্তো’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল সাম্রাজ্যকে আগলে রেখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। 🌍
Leave a Reply