1. online@trishalhelpcenter.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. news@trishalhelpcenter.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মোজাইক ডিফেন্স কী? সাদ্দাম হোসেনের পরিণতি দেখে যে কৌশল নেয় ইরান ২৪ ঘণ্টায় ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরাইলে আহত ১৯১ এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন ৮ সরকারি কর্মকর্তা ভাগ্য বদলের স্বপ্নে ১০ লাখ নারী প্রবাসে, সাত বছরে ফিরেছেন অন্তত ৭০ হাজার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা নিষিদ্ধ আ. লীগ নেতাকে জেলগেটে মালা পরিয়ে বরণ করলেন বিএনপির এমপি ইরানে হাজার পাউন্ডের ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে যুদ্ধ শুরু করার ক্ষমতা আপনাকে কে দিয়েছে: ট্রাম্পকে আমিরাতের ধনকুবেরের প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব

মোজাইক ডিফেন্স কী? সাদ্দাম হোসেনের পরিণতি দেখে যে কৌশল নেয় ইরান

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৬ বার

মোজাইক ডিফেন্স কী? সাদ্দাম হোসেনের পরিণতি দেখে যে কৌশল নেয় ইরান
ত্রিশাল হেল্প  সেন্টার আন্তর্জাতিক আপডেট

দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে টিকে থাকতে ইরান যে কয়েকটি সামরিক  কৌশল গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো “মোজাইক ডিফেন্স”। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্ভাব্য মার্কিন বা ইসরাইলি হামলার মুখে দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে এই কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মোজাইক ডিফেন্স মূলত ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সামরিক ধারণা। বিশেষ করে সাবেক কমান্ডার Mohammad Ali Jafari (২০০৭–২০১৯) এই ধারণাকে শক্তভাবে সামনে আনেন।
এই কৌশলে প্রতিরক্ষা কাঠামোকে একক কেন্দ্রীয় কমান্ডের অধীনে না রেখে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আংশিক স্বাধীন ইউনিটে ভাগ করা হয়। ফলে কোনো বড় হামলায় একটি কমান্ড ধ্বংস হলেও পুরো সামরিক কাঠামো ভেঙে পড়ে না। আইআরজিসি, বাসিজ বাহিনী, নিয়মিত সেনাবাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট, নৌবাহিনী এবং স্থানীয় কমান্ড—সবাই একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে কাজ করে।
এর ফলে যদি কোনো অংশ ধ্বংস হয়ে যায় বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবুও অন্য ইউনিটগুলো স্বাধীনভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে। এমনকি শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে না।
কেন এই কৌশল গ্রহণ করল ইরান
২০০১ সালে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং ২০০৩ সালের Iraq War ইরানের সামরিক কৌশলগত চিন্তায় বড় প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে Saddam Hussein-এর শাসন খুব দ্রুত ভেঙে পড়া তেহরানের জন্য বড় শিক্ষা হয়ে দাঁড়ায়।
ইরান দেখেছিল, অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র ও সামরিক কাঠামো শক্তিশালী আক্রমণের মুখে দ্রুত ধসে পড়তে পারে। তাই তারা উল্টো পথ বেছে নিয়ে ক্ষমতা ও কমান্ড বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে দেয়।
যুদ্ধের সময় কীভাবে কাজ করে
এই কৌশল অনুযায়ী ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী প্রথম আঘাত প্রতিরোধের চেষ্টা করে এবং শত্রুর অগ্রগতি ধীর করার দায়িত্ব পালন করে। অন্যদিকে বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট ছদ্মবেশ ও বিচ্ছিন্ন অবস্থান ব্যবহার করে আকাশপথের আক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা করে।
এরপর আইআরজিসি ও বাসিজ বাহিনী যুদ্ধকে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়যুদ্ধে রূপ দিতে হামলা, ওঁত পেতে আক্রমণ এবং সরবরাহ লাইন ব্যাহত করার মতো কৌশল ব্যবহার করে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মোজাইক ডিফেন্স কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো শত্রুর জন্য যুদ্ধকে দীর্ঘ, জটিল এবং ব্যয়বহুল করে তোলা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© 2025, All rights reserved.
Theme Customized By BreakingNews