📌 ত্রিশাল হেল্প সেন্টার – স্বাস্থ্য বিষয়ক অধ্যায়
মাম্পস হলো একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ, যা parotid gland (গালের দুই পাশে অবস্থিত লালা উৎপাদনকারী গ্রন্থি) ফোলার মাধ্যমে চিহ্নিত হয়। এটি paramyxovirus দ্বারা হয়ে থাকে। সাধারণত ৫–১৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
১. মুখের এক বা দুই পাশে গাল ফোলা ও ব্যথা
২. জ্বর (১০১°F থেকে ১০৪°F পর্যন্ত)
3. মাথাব্যথা ও দুর্বলতা
৪. গিলতে কষ্ট হওয়া, বিশেষ করে টক খাবারে
৫. কান বা চোয়ালে ব্যথা
৬. ক্ষুধামান্দ্য (কম খাওয়া)
৭. কিছু ক্ষেত্রে: Testicular pain (ছেলে শিশুদের ক্ষেত্রে)
৮. মেয়েদের ক্ষেত্রে: পেটব্যথা বা স্তনে অস্বস্তি হতে পারে
🔹 হাঁচি-কাশির মাধ্যমে
🔹 ব্যবহৃত থালা-বাসন, চামচ, পানির গ্লাস ভাগ করে নিলে
🔹 আক্রান্ত শিশুর লালা, নাক বা মুখের স্রাবের সংস্পর্শে
🔹 স্কুল বা গণজমায়েতে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে
✅ MMR ভ্যাকসিন (Measles, Mumps, Rubella):
✅ ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি
✅ হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢাকার অভ্যাস
✅ আক্রান্ত শিশুদের ৭–৯ দিন আইসোলেশন রাখা
✅ একই থালা-বাসন ব্যবহার না করা
🔹 মাম্পস ভাইরাসের নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক নেই। এটি সাধারণত ৭–১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই সেরে যায়।
তবে উপসর্গ লাঘবে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি—
❗ জটিলতা দেখা দিলে:
মাম্পস একটি সাধারণ ভাইরাসজনিত রোগ হলেও অবহেলা করলে তা মস্তিষ্ক, শ্রবণ ও প্রজনন অঙ্গের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই টিকা ও সচেতনতাই একমাত্র প্রতিকার।
✍️ প্রস্তুত করেছেন:
ত্রিশাল হেল্প সেন্টার – স্বাস্থ্য ইউনিট
📍 ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
Leave a Reply