📆 ১৫ জুন ২০২৫ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক
✍️ ChatGPT বিশ্লেষণ | উৎস: পার্সটুডে, সাহাব নেটওয়ার্ক
“ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে, তবে আর কেউ তার অস্তিত্বের বিরুদ্ধে হুমকি দিতে পারবে না।”
তিনি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি ও প্রতিরক্ষা কাঠামো উল্লেখ করে বলেন, শক্তিই একমাত্র ভাষা, যা বৈশ্বিক রাজনীতিতে গণ্য হয়। দুর্বল হলে দেশ চূর্ণবিচূর্ণ হয়—লিবিয়া, ইরাক এর প্রমাণ।
জেনারেল লোদি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনির দেওয়া ফতোয়ার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ।
তবুও তিনি বলেন, “যদি ইরান সেই পথে না যায়, তাহলে নিষেধাজ্ঞা ও চাপ অব্যাহত থাকবে।”
তিনি জানান, ইরান সম্প্রতি প্রস্তাব দিয়েছে—
তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সৌদি আরব ও ইউএই-র সাথে যৌথ প্রকল্পে পরিণত করতে চায়।
লোদি একে বলেন,
“একটি চতুর কূটনৈতিক কৌশল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত কেড়ে নেয়।”
খালিদ নাঈম লোদি বিশ্বাস করেন,
ইরান যদি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা শক্তিশালী করতে পারে (বিশেষ করে পাকিস্তান, তুরস্ক, আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সাথে), তবে নিষেধাজ্ঞা ও হুমকির বৃত্ত ভেঙে বেরিয়ে আসতে পারবে।
| 🔍 প্রশ্ন | 🧭 বাস্তবতা |
|---|---|
| পারমাণবিক অস্ত্র কি আত্মরক্ষার বৈধ উপায়? | ইতিহাস বলছে, দুর্বল রাষ্ট্র সহজেই আক্রান্ত হয় |
| ইসলাম কি পারমাণবিক অস্ত্র অনুমোদন করে? | আয়াতুল্লাহ খামেনির ফতোয়া এর বিরুদ্ধে |
| পশ্চিমা বিশ্বের ভূমিকা কী? | ন্যায়বিচার নয়, শক্তির রাজনীতি চলে |
| মুসলিম রাষ্ট্রগুলো কী শিখতে পারে? | দেশীয় উৎপাদন, আত্মনির্ভরতা ও কৌশলগত ঐক্য প্রয়োজন |
জেনারেল লোদি যে দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন তা বিতর্কিত হলেও গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু ইরান নয়, বরং গোটা মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা, আত্মরক্ষা, এবং ভূরাজনৈতিক কৌশল নিয়ে একটি নতুন আলোচনা শুরু করেছে।
Leave a Reply