1. online@trishalhelpcenter.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. news@trishalhelpcenter.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক ইসরাইলি গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তেহরানের এঙ্গেলাব স্কয়ারে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা সম্পাদকীয় ত্রিশালে জাতীয় নির্বাচন: গণতন্ত্র রক্ষায় শান্তি, সংযম ও রাষ্ট্রচিন্তার সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া নয়—এটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা, সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা এবং জনগণের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি বড় পরীক্ষা। ময়মনসিংহ–১৫২ (ত্রিশাল) আসনও এই জাতীয় প্রক্রিয়ার বাইরে নয়; বরং এখানকার নির্বাচন সারাদেশের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। ত্রিশাল আসনে এবারের নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা খলিলুর রহমান, ধানের শীষ প্রতীকে ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। ভিন্ন মতাদর্শ, ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও এই প্রতিযোগিতা যেন থাকে ন্যায়সংগত, শালীন ও শান্তিপূর্ণ—এটাই জনগণের প্রত্যাশা। জাতীয় নির্বাচন মানেই মতের লড়াই, কিন্তু কখনোই শক্তির প্রদর্শনী নয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন নজির রয়েছে—যেখানে একটি স্বার্থান্বেষী পক্ষ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কৃত্রিম অস্থিরতা, অরাজকতা ও সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন না হলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে কেউ কেউ অগ্নিকাণ্ড, লুটপাট, ভাঙচুর, গুজব ছড়ানো কিংবা সাধারণ জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ত্রিশাল হেল্প সেন্টার মনে করে, এ ধরনের যে কোনো অপচেষ্টা রাষ্ট্র, সমাজ এবং সাধারণ মানুষের জন্য চরম ক্ষতিকর। নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র মানেই দেশের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া। যারা সহিংসতা, অস্থিরতা কিংবা নাশকতার কথা ভাবছেন—তাদের প্রতি আমাদের স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন আহ্বান, দেশটা আগে। রাজনৈতিক লাভ-লোকসান আসবে-যাবে, কিন্তু দেশের ক্ষতি হলে তার দায় ইতিহাস কখনো ক্ষমা করে না। আমরা বিশ্বাস করি, ত্রিশালের মানুষ সচেতন। তারা জানেন, ভোটাধিকার প্রয়োগই শক্তির প্রকৃত উৎস। কোনো ভয়, প্রলোভন কিংবা গুজবে কান না দিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। একই সঙ্গে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল, নিরপেক্ষ ও কঠোর অবস্থানে থাকার আহ্বান জানাই। গণতন্ত্র টিকে থাকে সংযমে, সহনশীলতায় এবং আইনের শাসনে। এই নির্বাচন যেন হয় ভোটের মাধ্যমে রায় দেওয়ার উৎসব, আগুন-ভাঙচুরের রাজনীতি নয়। ত্রিশাল হেল্প সেন্টার প্রত্যাশা করে—এই আসনের নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য; যা দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাবে। দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে—আসুন সবাই দায়িত্বশীল হই। দেশ আগে, নির্বাচন পরে নয়—বরং দেশকে বাঁচিয়েই নির্বাচন। — সম্পাদকীয় বিভাগ ত্রিশাল হেল্প সেন্টার ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ: ক্রীড়া উপদেষ্টা বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান! এলপিজি নিয়ে সুখবর দিলো সরকার ত্রিশালে ভোটের গাড়ির প্রচারণা ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত ৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি স্থগিত করল ইরান আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নির্বাচন নিয়ে তারেক রহমানের প্রস্তাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিক্রিয়া

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫
  • ১৪১ বার

নির্বাচন নিয়ে তারেক রহমানের প্রস্তাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিক্রিয়া

🟢 ত্রিশাল হেল্প সেন্টার রিপোর্ট | ১৩ জুন ২০২৫, শুক্রবার

লন্ডন:
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ এক আলোচনার সাক্ষী হলো লন্ডনের পার্ক লেনের হোটেল ডোরচেস্টার। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর বৈঠক। আলোচনায় উঠে এসেছে আগাম নির্বাচনের সময়সূচি, রাজনৈতিক সংস্কার এবং বিচারিক অগ্রগতির বিষয়।

✅ রমজানের আগেই নির্বাচন চায় বিএনপি

বৈঠকে তারেক রহমান প্রস্তাব করেন—আগামী বছরের রমজান শুরুর আগেই নির্বাচন আয়োজন করা হোক। তিনি জানান,

> “দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও মনে করেন, ওই সময় নির্বাচন হলে দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য তা হবে সময়োপযোগী পদক্ষেপ।”

 

🔍 প্রধান উপদেষ্টার জবাব: প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করবে সময়

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন,

> “২০২৫ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে ২০২৬ সালের রমজানের আগেও নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।”
তবে এজন্য “সংস্কার ও বিচারের অগ্রগতি” অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

🕊️ আলোচনায় সন্তুষ্ট দুই পক্ষ

বৈঠক শেষে হাসিমুখে বের হন তারেক রহমান। দুই পক্ষই একে অপরকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে ফলপ্রসূ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

📢 ত্রিশাল হেল্প সেন্টার সবসময় সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনে সচেষ্ট।
আপনার এলাকার খবর আমাদের জানাতে ইনবক্স করুন।

📌 ফলো করুন: facebook.com/trishalhelpcenter
✉️ ইমেইল: news@trishalhelpcenter.com

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

সম্পাদকীয় ত্রিশালে জাতীয় নির্বাচন: গণতন্ত্র রক্ষায় শান্তি, সংযম ও রাষ্ট্রচিন্তার সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া নয়—এটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা, সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা এবং জনগণের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি বড় পরীক্ষা। ময়মনসিংহ–১৫২ (ত্রিশাল) আসনও এই জাতীয় প্রক্রিয়ার বাইরে নয়; বরং এখানকার নির্বাচন সারাদেশের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। ত্রিশাল আসনে এবারের নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা খলিলুর রহমান, ধানের শীষ প্রতীকে ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। ভিন্ন মতাদর্শ, ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও এই প্রতিযোগিতা যেন থাকে ন্যায়সংগত, শালীন ও শান্তিপূর্ণ—এটাই জনগণের প্রত্যাশা। জাতীয় নির্বাচন মানেই মতের লড়াই, কিন্তু কখনোই শক্তির প্রদর্শনী নয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন নজির রয়েছে—যেখানে একটি স্বার্থান্বেষী পক্ষ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কৃত্রিম অস্থিরতা, অরাজকতা ও সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন না হলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে কেউ কেউ অগ্নিকাণ্ড, লুটপাট, ভাঙচুর, গুজব ছড়ানো কিংবা সাধারণ জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করতে পারে—এমন আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ত্রিশাল হেল্প সেন্টার মনে করে, এ ধরনের যে কোনো অপচেষ্টা রাষ্ট্র, সমাজ এবং সাধারণ মানুষের জন্য চরম ক্ষতিকর। নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র মানেই দেশের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া। যারা সহিংসতা, অস্থিরতা কিংবা নাশকতার কথা ভাবছেন—তাদের প্রতি আমাদের স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন আহ্বান, দেশটা আগে। রাজনৈতিক লাভ-লোকসান আসবে-যাবে, কিন্তু দেশের ক্ষতি হলে তার দায় ইতিহাস কখনো ক্ষমা করে না। আমরা বিশ্বাস করি, ত্রিশালের মানুষ সচেতন। তারা জানেন, ভোটাধিকার প্রয়োগই শক্তির প্রকৃত উৎস। কোনো ভয়, প্রলোভন কিংবা গুজবে কান না দিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। একই সঙ্গে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল, নিরপেক্ষ ও কঠোর অবস্থানে থাকার আহ্বান জানাই। গণতন্ত্র টিকে থাকে সংযমে, সহনশীলতায় এবং আইনের শাসনে। এই নির্বাচন যেন হয় ভোটের মাধ্যমে রায় দেওয়ার উৎসব, আগুন-ভাঙচুরের রাজনীতি নয়। ত্রিশাল হেল্প সেন্টার প্রত্যাশা করে—এই আসনের নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য; যা দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাবে। দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে—আসুন সবাই দায়িত্বশীল হই। দেশ আগে, নির্বাচন পরে নয়—বরং দেশকে বাঁচিয়েই নির্বাচন। — সম্পাদকীয় বিভাগ ত্রিশাল হেল্প সেন্টার

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© 2025, All rights reserved.
Theme Customized By BreakingNews